জামালপুরে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু

0
270

নিজস্ব প্রতিবেদক

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে ৪ শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া সাপের কামড়ে একজন মারা গেছেন এবং নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বন্যার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখন পৌরসভার ৫টি ওয়ার্ডসহ, বগারচর, সাধুরপাড়া, মেরুরচর নিলাক্ষিয়া, বাট্রাজোড় ও কামালপুর ইউনিয়নের ১৩০টি গ্রাম এখন পানিতে তলিয়ে আছে। এসব এলাকার এখনো দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে।

রোববার বেলা ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনয়িনের সদর সূর্যনগর পূর্বপাড়া গ্রামের শাহীনের শিশুকন্যা সুজনী আক্তার (১১) একই গ্রামের সোলায়মানের কন্যা সাথী আক্তার (১০) বাড়ির পাশে ভেলা দিয়ে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যায়।

সকালে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের রবিয়ারচর গ্রামে বৃদ্ধ আবদুল শেখ (৭৫) পানির স্রোতে তলিয়ে গিয়ে মারা যায়।

একই দিনে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কুতুবেরচর গ্রামে ইয়াসিন আলীর শিশুপুত্র স্বাধীন (৪) পানিতে ডুবে মারা যায়।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের কুশলনগর গ্রামের সামের আলীর শিশুপুত্র রাহাদ (৯) পানিতে ডুবে মারা যায়। একই দিনে সদর ইউনিয়নের ঝালরচর গ্রামে রাজা বাদশা (৫৫) নিজ বাড়িতে সাপের কামড়ে মারা যান।

এ ছাড়া বানের পানিতে নিখোঁজ ব্যবসায়ী সুজন মিয়ার লাশ উদ্ধার হয়েছে।

রোববার সকালে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রাম থেকে পানিতে ভাসমান অবস্থায় সুজনের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামবাসী। খবর পেয়ে সুজনের আত্মীয় লাশ বাড়িতে আনে। জানা গেছে, ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকালে পৌর শহরের সীমারপাড় এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী সুজন (৩০) মেরুরচর ইউনিয়নের ঘুঘুরকান্দি গ্রামে বানের পানি দেখতে গিয়ে দশানী নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়।

বকশীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মাহবুবুল আলম বানের পানিতে ডুবে ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে বন্যার কারণে বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানিতে ডুবে শিশু, বৃদ্ধ, সাপের কামড়ে ও ব্যবসায়ীসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here