মার্কেটিং এ মিডিয়াগুলো হঠাৎ করে ভোক্তাদের আস্থার জায়গা নষ্ট করে দেয় : শিল্পমন্ত্রী

0
212

ঢাবি প্রতিবেদক,মিজানুর রহমান:

শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন পণ্যের ছোটখাটো সমস্যাকে আমি ব্যতয় বলবো ভেজাল বলিনা।মার্কেটিং এ মিডিয়াগুলো হঠাৎ করে আস্থার জায়গা নষ্ট করে দেয়।তারা দেখে না যে বিশ্বের যে বাজার তার সাথে আমাদের কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা করতে হয়।এই সুযোগটা বিদেশি কোম্পানিগুলো গ্রহন করে। এতে হয়ত একজন রিপোর্টার বাহবা পান তবে প্রকৃতপক্ষে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আজ শুক্রবার দুপুর ১২ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বিপণন পেশাজীবিদের সম্মেলন ‘মার্কেটিং ডে-২০১৯’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এ কথা বলেন।

তিনি মার্কেটিং এ গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। শিল্পমন্ত্রী দেশের শিল্প-বানিজ্যকে বৈশ্বিক পরিবর্তনের সাথে এগিয়ে নিতে ব্যবসায় বিপণন পেশাজীবিদের দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহবান জানান।এসময় তিনি বিপণনখাতের পেশাজীবিদের আন্ত:ব্যক্তিক সম্পর্ক উন্নয়নের উপরও জোর দেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে সাথে বৈশ্বিক বিপণন কৌশলে আধুনিকায়ন হচ্ছে।প্রথাগত বানিজ্য কৌশলে নতুন গ্রাহকদের কাছে পণ্য পৌছানো কঠিন হয়ে পরবে যদিনা বিপণন পেশাজীবিদের ‘সময়োপযোগী দক্ষতা’ উন্নয়ন না হয়।দেশের ব্যবসায় শিক্ষায় উদ্ভাবনী বিপণন বিষয়কে গুরুত্ব দিতে শিক্ষার্থীদের সাথে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করেন।

বাংলাদেশ মার্কেটার ইনিস্টিটিউটের আয়োজনে দেশের ব্যাবসায় বিপণনখাতের শিক্ষক, ছাত্র এবং পেশাজীবিদের অংশগ্রহনে দ্বিতীয় বারের মত উদযাপিত হয় বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে। আয়োজকরা জানান, বানিজ্যে বিপণন পেশাজীবি এবং শিক্ষক,শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে মেলবন্ধন তৈরি করতেই দিনব্যাপী আয়োজনে দশ হাজার মানুষের সমাগম ঘটবে বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে উদযাপনে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকল স্নাতক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং বিভাগের উদোগে – ভোক্তাই প্রথম – শিরোনামে দেশেজুড়ে উদযাপনের শুরু হয়েছে বলে জানানো হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে। ঢাকায় দিনব্যাপী আয়োজনে পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন বিপণন খাতের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবিগণ। পাশাপাশি বিষয় ভিত্তিক অধিবেশনে বিপণনখাতের বৈশ্বিক পরিবর্তন, প্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্ভাবনী বিপণনসহ গ্রাহকবান্ধব টেকসই বিপণন নিয়ে আলোচনা হয় তথ্যবহুল উপস্থাপনায়। অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন দেশের বিপণনখাতে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ‘মার্কেটিং ডে’ বড় উদযাপন হিসেবে পরিচিত পেয়েছে। অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন,ব্যবসায় শিক্ষার অন্যতম শাখা বিপণন। সময়ের সাথে পরিবর্তন ঘটছে বিপণন কৌশলের।

তাই সংশ্লিষ্টদের বাজারের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা জরুরী।আর আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বিষয় ভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পেয়েছেন অংশগ্রহনকারীরা। আয়োজক পরিষদের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম দুলু বলেন দেশের বিপণনখাতে জড়িত পয়তাল্লিশ লক্ষ মানুষের মাঝে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের জন্যই – মার্কেটিং ডে। দেশের বিপণনখাতে অধিকাংশ নির্বাহীরা বৈশ্বিকমানের নয় দাবি করে শরিফুল ইসলাম দুলু বলেন,বিপণেনর জায়গাটি অনেক বড়। সময়ের সাথে সাথে মাধ্যম এবং কৌশল পরিবর্তিত হচ্ছে।মার্কেটিং ডে উদযাপনের মাধ্যমে আমরা মার্কেটার ইনিস্টিটিউটের একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি আমরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here