রংপুর উপ-নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

0
202

নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতেই রংপুর উপ-নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা বলে কিছু নেই। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। তারপরও আমরা রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে চাই, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে।

মঙ্গলবার দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র কুটিরশিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর বিএনপির সদ্য প্রয়াত নেতা মহানগর কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনের কবর জিয়ারত করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর পর রংপুর মহানগরীর নিউ শালবনস্থ মোজাফফর হোসেনের বাসায় তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখনও মনোনয়ন দেয়ার বিষয়টি সিদ্ধান্ত হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটি বিষয়টি নিয়ে ভাবছে।

সদ্য প্রয়াত নেতা মোজাফফর হোসেন সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি শুধু বিএনপি নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন একাধারে ক্রীড়াবীদ ও সংগঠক। রংপুরের আপামর জনতার নেতা। তিনি ন্যায়ের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে আজীবন লড়াই করে গেছেন। তার অকালমৃত্যুতে বিএনপি শুধু নয় রংপুরবাসীরও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। যা কোনো দিনই পূরণ হবার নয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, রংপুরবাসী তার কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করার সুযোগ পেল না। তবে তিনি চিরদিন বিএনপি ও রংপুরের আপামর জনগণের কাছে একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবীদ ও মানুষ হিসেবে মূল্যায়িত হবেন।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেনের পক্ষে তার স্ত্রী সুফিয়া হোসেনকে আসন্ন রংপুর সদর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানানো হয়।

এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সাবেক এমপি সাহিদার রহমান জোসনা দলের মহাসচিবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কেন্দ্র থেকে সুফিয়া হোসেনকে মনোনয়ন দেয়া হলে তাদের আপত্তি নেই। তার এই বক্তব্যকে উপস্থিত নেতাকর্মীরা অনেকেই সমর্থন করেন।

এ সময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু, রংপুর মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সামসুজ্জামান সামু, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান রন্টু, মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান লাকু, সালেকুজ্জামান সালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, মহানগর যুবদল সভাপতি মাহফুজ উন নবী ডন, সাধারণ সম্পাদক লিটন পারভেজ, সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন পিন্টু, জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক ঝন্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান হিজবুল, সাধারণ সম্পাদক শরীফ নেওয়াজ জোহা, মহানগর ছাত্রদল সভাপতি নূর হাসান সুমন,সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম জিম প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here