শরীয়তের দৃষ্টিতে দাঁড়ি

0
924

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দাঁড়ি রাখার হুকুম কি? পরিমান কতটুকু? শুনেছি শরয়ী পরিমাপ থেকে কম দাঁড়ি রাখেন এমন ব্যক্তি সর্বদা গুনাহে লিপ্ত থাকেন, কথাটি কতটুকু সঠিক ?
=====================================

প্রথমে একটি হাদিস দেখি:
যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মুহাব্বত করল সে যেন আমাকেই মুহাব্বত করল। আর যে আমাকে মুহাব্বত করল সে আমার সাথে জান্নাতে বসবাস করবে।
(তিরমিযী শরীফ, মেশকাত- পৃ: ৩০)

১/ নং দাঁড়ির হুকুম ও পরিমাপ:
ইসলামী শরীয়তে একমুষ্টি পরমান লম্বা দাঁড়ি রাখা ওয়াজিব বা আবশ্যক। দাঁড়ি এক মুষ্টির কম রাখা বা একেবারে তা মুন্ডিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে হারাম এবং কবীরা গুনাহ। স্বয়ং হুজুর স. এর দাঁড়ি রাখা এবং তার অসংখ্য হাদীসে উম্মতের প্রতি দাঁড়ি রাখার সাধারণ নির্দেশই প্রমান করে যে, দাঁড়ি রাখা ওয়াজিব এবং না রাখা হারাম। কারন, শরীয়ত প্রবর্তক কর্তৃক কোন বিষয়ের প্রতি সাধারন নির্দেশ হলে তা পালন করা ওয়াজিব এবং বিপরীত করা হারাম হয়ে যায়। আরে এটা ফিক্বাহ শাস্ত্রের একটি মূলনীতিও বটে। এছাড়া সাহাবা, সালফে সালেহীন এবং ফুক্বাহাগণের দাঁড়ি রাখার নিরবচ্ছিন্ন আমল এবং তাদের বিভিন্ন উক্তিসমূহের দ্বারাও এক মুষ্টি পরিমাপ লম্বা দাঁড়ি রাখা ওয়াজিব এবং এর বিপরীত করা হারাম প্রমাণিত হয়।
নিম্নে দাঁড়ি সম্পর্কিত কতিপয় হাদীস, সাহাবাগণের আমল ও ফুক্বাহাগণের উক্তিসমূহ উল্লেখ করা হল:
হাদীস শরীফে দাঁড়ি:

১. হযরত আয়েশা রা. বলেন, রাসূল স. ইরশাদ করেছেন, দশটি বিষয় সকল নবী রাসূলগণের সুন্নাত। তন্মধ্যে গোঁফ ছোট করা এবং দাঁড়ি লম্বা করা অন্যতম।
(মুসলিম শরীফ,১/১২৯)
২. হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল স. ইরশাদ করেছেন, তোমরা গোঁফ কাট এবং দাঁড়ি লম্বা কর, আর অগ্নিপূজকদের বিরোধিতা কর।
(মুসলিম শরীফ,১/১২৯)
৩. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল স. ইরশাদ করেন, মুশরিকদের বিরোধিতরা কর, দাঁড়ি লম্বা কর, আর গোঁফ ছোট কর।
(বুখারী শরীফ- ২/৮৭৫, মুসলিম)
৪. হুজুর স. বলেছেন যে, তোমরা ভালভাবে গোঁফ কাট এবং দাড়ি বাড়াও। (বুখারী শরীফ)
৫. হুজুর স. এরশাদ করেন যে, গোঁফ কাট এবং দাড়ি ছড়িয়ে রাখ। (কাজী এয়াজ শরহে মুসলিম নববী)
৬. হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলে আকরাম স. ইরশাদ করেন, দাড়ি বাড়াও , গোঁফ কাট এবং এ ক্ষেত্রে ইহুদী-খ্রীষ্টানদের সাদৃশ্য অবলম্বন করোনা। (মাসনাদে আহমদ)

৭. নবী করীম স. এর আমল দ্বারাও দাড়ি প্রমান পাওয়া যায়। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে যে, সাহাবী হযরত খাব্বাব রা.-কে কেউ জিজ্ঞেস করেন, হুজুর পাক স. কি জোহর ও আছর নামাযে কেরআত পাঠ করতেন? তিনি বলেন, হ্যা, পাঠ করতেন। লোকটি পুন:প্রশ্ন করেন, আপনি কিভাবে তা বুঝতেন ? তিনি বলেন হুজুর স.-এর দাড়ি মুবারকের দোলায় আমরা বুঝতাম যে, তিনি কিরআত পাঠ করছেন। (তাহাবী শরীফ)
বলাবাহুল্য, কেরআত পাঠকালে ঐ দাড়ি দোলাই পরিদৃষ্ট হবে, যা যথেষ্ট দীর্ঘ হয়, ছোট ছোট দাড়ি কখনো দুলবে না।

এক নজরে দাড়ি:
১. দাড়ি বাড়াও। (বুখারী, মুসলিম শরীফ)
২. দাড়ি পূর্ণ কর। (মুসলিম শরীফ)
৩. দাড়ি ঝুলন্ত ও লম্বা রাখ। (মুসলিম শরীফ)
৪. দাড়ি বহার রাখ। (মাজমাউল বিহার)
৫. দাড়ি বেশী রাখ (বুখারী, মুসলিম)
৬. দাড়িকে ছাড়, অর্থাৎ কর্তন করো না। (তাবরানী)
দাঁড়ি ও সাহাবায়ে কেরামের আমল :
১.হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা.যখন হজ্জ্ব বা উমরা আদায় করতে, তখন স্বীয় দাঁড়ি মুষ্টি করে ধরতেন, অতঃপর অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন।
(বুখারী শরীফ- ২/৮৭৫)

২. হযরত আবু হুরায়রা রা. স্বীয় দাঁড়ি ধরতেন, অতঃপর অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন।
(মুসান্নাফ লি-ইবনি আবি শাইবা- ১৩/১১২)
দাঁড়ি ও ফুক্বাহাদের উক্তি:
১. হানাফী মাযহাবের কিতাব শরহে মুনহাল ও শরহে মানজুমাতুর আদবের মধ্যে লিখেছেন, নির্ভরযোগ্য ফতোয়া হল দাড়ি মুন্ডানো হারাম।
২.মাওলানা আশেকে এলাহী মিরাঠী রহ. তার প্রণিত “’”দাড়ি কী কদর ও কীমত” কিতাবে চার মাজহাবের ফক্বীহগণের মতামত শাফেয়ী মাজাহাবের প্রামান্য গ্রন্থ “আল ওবাব” হতে উদ্বৃত করেছেন :
ইমাম ইবনুর রাফ’আ বলেন, ইমাম শাফেয়ী রহ. “আলউম্ম” কিতাবে লেখেন যে, দাড়ি কাটা হারাম।
৩. মালেকী মাজহাব মতেও দাড়ি মুন্ডন করা হারাম। অনুরূপভাবে ছুরত বিগড়ে যাওয়া মত ছেটে ফেলাও হারাম। (কিতাবুল ওবদা)

৪. হাম্বলী মাজহাবের কিতাব “শাহহুল মুন্তাহা” ও “শরহে মুজ্জুমাতুল আদব” এর উল্লেখ হয়েছে যে, নির্ভরযোগ্য মত হল দাড়ি মুন্ডন করা হারাম।
অনুরূপ অন্যান্য গ্রন্থাকারও দাড়ি রাখা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে মাননীয় ইমামদের ইজমা (ঐকমত) বর্ণনা করেছেন।
দাড়ি কর্তনকারী আল্লাহ পাকের দুশমনদের মধ্যে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা:

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. নিজ রচিত “কিতাবুজ্জুহুদে” আকীল ইবনে মোদরেক সালামী হতে উদ্ধৃতি করেন যে, আল্লাহ জাল্লা শানুহু বনী ইস্রাইলের এক নবীর নিকট এই অহী প্রেরন করেন যে, তিনি যেন নিজ কওম বনী ইস্রাইলকে এ কথা জানিয়ে দেন যে, তারা যেন আল্লাহ তা’য়ালার দুশমনদের বিশেষ খাদ্য শুকরের গোশত না খায় এবং তাদের বিশেষ পানীয় অর্থাৎ শরাব(মদ) পান না করে এবং তাদের শিক্ল ছুরত (আকৃতি) না বানায়। যদি তারা এমন করে অর্থাৎ শুকরের গোশত খায়, বা মদ পান করে, অথবা দাড়ি মুন্ডায় বা ছোট করে (ফ্রেন্সকাট করে) অথবা বড় বড় মোচ রাখে, তা’হলে তারাও আমার দুশমন হবে, যেমন তারা আমার দুশমন। (দালায়েলুল আসর)
কওমে লূতের নিন্দনীয় বৈশিষ্ট্য ও ধ্বংসের কারন:
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে আসাকেরসহ আরো কতিপয় মুহাদ্দিস হযরত হাসান রা. হতে নবী করীম স. এর এই মুবারক হাদীস বর্ণনা করেন যে, দশ প্রকার পাপে লূত সম্প্রদায় ধ্বংস হয়েছিল; তন্মধ্যে দাড়ি কাটা, গোঁফ বড় রাখা অন্যতম।

২/ নং দাড়ি রাখার বিধান:

দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং দাড়ি মুন্ডন করা হারাম। যারা দাড়ি মুন্ডন করে তারা ফাসিক বিধায় তাদের ইমামতি মাকরূহে তাহরিমী:

মুসলিম জাতির বিশেষ ইউনিফর্ম, ইসলামের অন্যতম নিদর্শন এবং সকল নবী রাসূলগণের তরীকা হলো দাড়ি রাখা। আমাদের দেশে দাড়ি রাখাকে সুন্নাত হিসাবে মানা হয়। সুন্নাত বলায় একটি মুসলিম দল যারা সুন্নাত আমলকে গুরুত্ব প্রদান না করে দাড়ি মুন্ডন বা কর্তন করাকে গুনাহ মনে করে না। অতচ দাড়ি মুন্ডন বা কর্তন করা ইসলামে হারাম। দুঃখ হয় এজন্য যে, আমাদের সমাজে আজ দাড়ি মুন্ডন কারী ইমাম পাওয়া যায়, ইসলামী দলের নেতা দেখা যায়। দাড়ি কেটে কেটে গোফকে লম্বা করার মধ্যে একদল লোক অতি উৎসাহী। দাড়ি কাটা যাদের নিত্যদিনের রুটিন তারা ইসলামী বিপ্লবের স্লোগান দেয়। কুরা’আনী আইন চালু করার নিমিত্তে রাজনীতি করে। নিজে ইসলামের জন্য দা’ওয়াত বা তাবলীগ করে অতচ তার মধ্যে ইসলাম নেই। সবদিক বিবেচনায় বলা যায়, দাড়ি রাখা মানেই প্রকৃত মুসলমান। আর না রাখাই বিধর্মী তা নয়; বরং এটুকু বলতে হয়, দাড়ি হলো মুসলমানের পরিচয়। আর না রাখা বিধর্মীর আলামত। দাড়ি না রাখা যেমনি হারাম, তেমনি এক মুঠোর চেয়ে কম রাখাও হারাম। দাড়ি যারা রাখেনা তাদের উদ্দেশ্যেই আজকের এই লেখা।
দাড়ি রাখার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে ইসলামী চিন্তা চেতনায় সকলকে এগিয়ে আসতেই হবে। উৎসাহিত করতে হবে সকলকে দাড়ি রাখার ব্যাপারে। এটা সকল মুসলমানের উপরই কর্তব্য। আমাদের জেনে রাখা উচিত, যারা দাড়ি রাখা নিয়ে কটাক্ষ করে কিংবা নিন্দা-বিদ্রুপ করে তারা অবশ্যই কবীরা গুনাহে লিপ্ত।

* দাড়ি রাখার প্রশ্নে তিনটি বিষয় আমাদের নজরে রাখতে হবে।
১. দাড়ি রাখা,২. দাড়ি লম্বা করা, ৩. একমুঠো পরিমাণ পর্যন্ত রাখা।

* ইসলামে দাড়ি রাখার হুকুম হলো দাড়ি একেমুঠো পরিমাণ লম্বা রাখা। এবিষয়ে নীচে কিছু দালিলীক প্রমাণসহ বিভিন্ন মাস’আলা উত্থাপন করছি :
হযরত ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, হাদীস শরীফে হুযুরে পাক (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, ‘‘মুশরিকদের বিরোধিতা কর, দাড়ি বাড়াও, গোঁফ কাট।’’(বুখারী শরীফ)
হযরত ইবনে উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত অন্য হাদীসে রাসুল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, ‘‘মুশরিকদের বিরুদ্ধাচারণ করে গোঁফ কাট, দাড়ি পূর্ণ কর।’’ (মুসলিম শরীফ)
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস শরীফে রাসুলে পাক (সাঃ) ইরশাদ করেন, ‘‘দাঁড়ি বাড়াও, গোঁফ কাট এবং এই ক্ষেত্রে বিরোধী খ্রীষ্টানদের সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।’’ (মুসনাদে আহমদ ইবন হাম্বল)
হযরত হাসান (রা.) হতে বর্ণিত হাদীসে হুযুরে আকরম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, ১০টি বদ-অভ্যাসের কারণে লুত সম্প্রদায় ধ্বংস হয়েছিল। এর মধ্যে সমকাম, ঢোলবাদ্য, মদ্যপান, দাড়ি কর্তন ও গোঁফ লম্বা অন্যতম।’’ ( দুররে মানসুর)
হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, হুযুরে পাক (সাঃ) মাথা মুবারকে প্রায় সময় তেল ব্যবহার করতেন এবং দাড়ি মুবারকে চিরুনী ব্যবহার করতেন। ( শামায়েলে তিরমিযী)
সাহাবী হযরত রুওয়াইফা (রাঃ) কে একদিন রাসূল (সাঃ) বলেন, ‘‘হে রুওয়াইফা সম্ভবত:তুমি আমার পরেও বাঁচবে। তখন তুমি লোকদের বলে দিও-যারা দাড়িতে গুটি পাকায়, ঘোড়ার গলায় ফিতা বাঁধে অথবা হাড় বা গোবর দ্বারা ঢেলা নেয় আমি তার ব্যাপারে দায়িত্ব মুক্ত।’’ (নাসাঈ শরীফ)

*দাড়ির পরিমাণ:
ইমাম মুহাম্মদ র. বলেন- ইমাম আবু হানীফা (র.) হায়ছাম হতে এবং তিনি সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি(ইবনে উমর রা.) দাড়িকে হাতের মুঠোয় নিয়ে বাইরের অংশ ছেটে নিতেন। (কিতাবুল আ-ছার, ইমাম মুহাম্মদ)
হযরত আবু যুর’আ বর্ণনা করেন, হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) দাড়িকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এর অতিরিক্ত অংশ ছেটে নিতেন। (ইবন আবী শায়বা. খন্ড-৮)
অন্যত্র হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি আপন দাড়ি হাতের মুঠোয় নিয়ে অবশিষ্ট অংশ কর্তন করতেন। (নাছবুর রায়াহ)

*মাস’আলা:
১. দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং খন্ডন করা ইজমায়ে উম্মত এর মতে হারাম। অনুরূপ এক মুষ্টির কম দাড়ি রাখার উদ্দেশ্যে কর্তন করা যেমন-পশ্চিমা দেশের অনেকে এবং হিজড়া প্রকৃতির লোকেরা কর্তন করে কোন আলেম এই নিয়মকে জায়েয বলেন নি। (আল বাহরুর রায়েক-খন্ড-২, ফতওয়ে শামী-খন্ড-৪ পৃষ্টা-১২৩)
২. যারা দাড়ি রাখা ও লম্বা করাকে আয়েব মনে করে এবং দাড়িওয়ালাদের বিদ্রুপ করে-এই সমস্ত কাজে ঈমান রক্ষা করা কঠিন। তাদের তাওবা করতঃ ঈমান নবায়ন করা দরকার। একই সাথে রাসূল (সাঃ) এর নির্দেশ মোতাবেক ছবিছুরাত ঠিক করা আবশ্যক।(ইছলাহুর-রুসূম-মাও-থানবী)
৩. শরী’আত মতে দাড়ির সীমা হবে এক মুঠো। এর অতিরিক্ত কেটে ফেলা সন্নাত। (ফতওয়া শামী)
৪. দাড়ি মুন্ডন বা ছাঁটাইকারী ফাসিক বিধায় তার ইমামতি মারূহে তাহরিমী। ( আহছানুল ফতওয়া)

*ফিকহবিদগণের অভিমত:
হযরত ইমাম মুহাম্মদ ইবনুল হাসান সায়বানী বলেন- ইমাম আজম আবু হানীফা (র.) ইবনে উমর(রা.) এর উদ্ধিৃতি দিয়ে আমাকে বলেন যে, তিনি ইবনে উমর (রা.) এর মত অর্থাৎ এক মুঠো দাড়ি রাখার মত পোষণ করেন। (কিতাবুল আ-ছার)
*আল্লামা আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী (র.) বলেন, ‘‘দাড়ি খন্ডন করা হারাম এবং এক মুঠো পরিমাণ বৃদ্ধি করা ওয়াজিব।’’ (আশি‘আতুল্লুম’আত-পৃষ্টা-২১২,খন্ড-১)
*আল্লামা আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী (র.) বলেন,‘‘এক মুঠোর কম দাড়ি রাখা জায়েয নয়।’’ (প্রাগুক্ত-খন্ড-৪)
* বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ফয়যুলবারী কিতাবের টীকায় আছে, দাড়ি এক মুঠোর কম রাখা হারাম। (খন্ড-৪,পৃঃ-৩৮০)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here